Advertisement
Us Bangla Airlines
ধৈর্যের মন্ত্র পড়ে আফগানদের হারাল নেপাল

ধৈর্যের মন্ত্র পড়ে আফগানদের হারাল নেপাল

খেলা ডেস্ক

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৩৪

জাপানের করোগির মাঠে টানা ম্যাচ আয়োজনের ধকল স্পষ্ট। মন্থর ও নিচু বাউন্সের পিচে ব্যাটারদের জন্য রান করা তাই ছিল কঠিন পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় আফগানিস্তানের চেয়ে বেশি ধৈর্য দেখিয়েছে নেপাল। বল হাতে স্পিনের বৈচিত্রে আফগানদের আটকে রাখার পর ব্যাটিংয়েও তাড়াহুড়ো করেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে নেপাল।

টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেও করোগির পিচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেনি আফগানিস্তান। নেপালের স্পিনারদের সামনে রান তুলতে রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয়েছে তাদের। ফয়সাল ও নাজিবউল্লাহর ব্যক্তিগত ৩০ রান ছাড়া বলার মতো কোনো জুটি গড়ে ওঠেনি। ফলে নির্ধারিত বিশ ওভার শেষে ৭ উইকেটে ১০২ রানেই থেমে যায় আফগানদের ইনিংস।

নেপালের বোলিং পরিকল্পনাও ছিল পিচের চরিত্রের সঙ্গে মানানসই। ম্যাচের ১৯ ওভারই করেছেন স্পিনাররা, নিয়েছেন আফগানিস্তানের ৭ উইকেট। প্রতিপক্ষকে পুরোপুরি অলআউট করতে না পারলেও রান তোলার গতি আটকে রাখতে পেরেছে নেপাল।

তবে ১০৩ রানের লক্ষ্যও এই মাঠে একেবারে সহজ ছিল না। সেটি বুঝিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তানের বোলিং। মাত্র ৩১ রানেই নেপালের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে চাপ তৈরি করেছিল তারা। সেই চাপ সামলানোর দায়িত্ব নেন তিনে নামা স্বন্দ্বীপ। রান আউট হয়ে ফিরলেও তার ৩৪ রানের ইনিংস নেপাল শিবিরে স্বস্তি জোগায়।

এরপর সাবেক অধিনায়ক রোহিত ৩৩ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। অধিনায়ক দিপেন্দ্রর ১৫ রানও রান তাড়ায় দারুণ ভূমিকা পালন করেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে মোট ৫ ম্যাচের দেখায় এটি নেপালের দ্বিতীয় জয়। তবে এই জয় এসেছে পরিস্থিতি বুঝে খেলার মাধ্যমে।

বোলিংয়ে স্পিনারদের ওপর ভরসা রেখেছে নেপাল, ব্যাটিংয়ে শুরুতে উইকেট হারানোর পরও মাথা ঠান্ডা রেখেছে তারা। আবার খারাপ বলে রান নিয়েছে; ঝুঁকিপূর্ণ বল এড়িয়ে গেছে। পুরো ম্যাচজুড়েই যেন একই পরিকল্পনা, অপেক্ষা করো, সুযোগ এলে আঘাত করো। করোগির কঠিন পিচে শেষ পর্যন্ত সেই ধৈর্যের খেলায় জিতেছে নেপাল।

এমআই