অস্ট্রেলিয়ার কাছে যেখানে পিছিয়ে ভারত
খেলা ডেস্ক
০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:৩৮
অ্যাডিলেডে গোলাপি বলের টেস্টটা ভালো যাচ্ছে না ভারতের। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানে ধবলধোলাই হওয়ার পর বল হাতেও আহামরি ভালো সময় যায়নি বুমরাহদের। দিবা-রাত্রির ম্যাচে ট্রাভিস হেডের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে ১৫৭ রানের লিড পায় অস্ট্রেলিয়া। তাতে ২৯ রান পিছিয়ে থেকে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১২৮ রান তুলে রোহিত শর্মার দল।
ভারতের জন্য মাথা ব্যথার কারণ হচ্ছে ইনিংস বড় করতে না পারার ব্যর্থতা। টপ অর্ডাররা উভয় ইনিংসে মোটামুটি শুরু পেলেও রানের সংখ্যা খুব বেশি বাড়াতে পারেননি। ওপেনার জয়সোয়াল এবং তিনে নাম গিল আউট হয়েছেন যথাক্রমে ২৪ ও ২৮ রানে। দলের স্বার্থে ওপেনিং থেকে ছয়ে নেমে আসা দুই ইনিংসেই ব্যর্থ রোহিত শর্মা। আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার বিরাট কোহলিও রান পাননি এ ম্যাচে।
হেডের ঝড়ের পর দিনের তৃতীয় সেশনে ব্যাটিংয়ে নামে ভারত। ফ্লাড লাইটের আলোর নিচেই ৫ উইকেট হারায় গৌতম গাম্ভীরের শিষ্যরা। অবশ্য এখানে অস্ট্রেলিয়ান বোলাররা বেশি কৃতিত্ব প্রাপ্য। নতুন পরিকল্পনায় বল করেই ভারতের চেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল অজিরা।
পরিসংখ্যান বলছে, ফ্লাড লাইটের আলোর নিচে সিমের ব্যবহার এবং সুইংয়ের কারিশমায় ভারতের চেয়ে এগিয়ে ছিল প্যাট কামিন্সের দল। দিনের তৃতীয় সেশনে স্টাম্প জোনে ১১.৬ শতাংশ বল করেছে অস্ট্রেলিয়া। তাতে প্রতিপক্ষ ভারতের ৫ উইকেট তুলেছেন তারা।

একই পরিকল্পনায় পিছিয়ে রোহিতের দল। ফ্লাড লাইটের নিচে গতকাল একই সময়ে বোলিং করলেও মাত্র ৪.৬ শতাংশ বল স্টাম্প কোরিডরে ছুঁড়েছিলো ভারতীয় বোলাররা। পরিকল্পনায় অজিদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা ভারত গতকাল পেয়েছিল মাত্র ১ উইকেট।
আগামীকাল ২৯ রানের দায় শোধ করে নতুন লক্ষ্যের পথে হাঁটবে রিশাব প্যান্ট এবং নীতিশ কুমার। এবার অজিদের সামনে ভারত কত রানের লক্ষ্য ছুঁড়তে পারে এটাই দেখার বিষয়।
উল্লেখ্য, গোলাপি বলের টেস্ট ম্যাচে এখন পর্যন্ত ৪টি (চলতি ম্যাচ ছাড়া) ম্যাচ খেলেছে ভারত। যার মধ্যে তিনটি টেস্টই জিতেছে তারা। তবে পরাজিত হওয়া এক ম্যাচের প্রতিপক্ষ আবার অস্ট্রেলিয়া। ২০২০ সালের ডিসেম্বর আয়োজিত সেই ম্যাচে আট উইকেটে জিতেছিলো অজিরা। একই ম্যাচে লজ্জার রেকর্ড আছে ভারতের। মাত্র ৩৬ রানে সব উইকেট হারিয়েছিলো বিরাট কোহলির দল। গোলাপি বলের টেস্টে যা কোন দলের সর্বনিম্ন স্কোর।
এমআই