Advertisement
Us Bangla Airlines
‘আইসিসি মানে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল নয়’

‘আইসিসি মানে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল নয়’

খেলা ডেস্ক

২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪:০৭

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ঘণ্টা বাজতে আর বেশি দেরি নেই। অথচ এখনও অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ। ভারতের মাটিতে খেলতে না যাওয়ার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই টানাপোড়েনের মাঝেই নতুন করে আলোচনায় বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনা, যেখানে পাকিস্তানের নামও ঘুরছে গুঞ্জনে।

এই প্রেক্ষাপটে আইসিসির কড়া সমালোচনা করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সাবেক সভাপতি নাজাম শেঠি। একই সঙ্গে পাকিস্তান কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেও নজর রাখছেন তিনি। বর্তমান পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভির ওপর আস্থা রাখার কথাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন শেঠি।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও সুপারকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় নাজাম শেঠি বলেন, ‘বাংলাদেশ ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পিসিবি কী সিদ্ধান্ত নেয়। মহসিন নাকভি খেলাটাকে বোঝেন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তার পরিষ্কার ধারণা আছে। তিনি যে সিদ্ধান্তই নেবেন, সেটাই সঠিক হবে।’

আইসিসির বিপক্ষে বিসিবির দৃঢ় অবস্থানকেও সাধুবাদ জানিয়েছেন শেঠি। পাশাপাশি আইসিসিকে ভারতকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে এসে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যদি পাকিস্তানের পর অন্য কোনো দেশও শক্ত অবস্থান নেয়, তাহলে আইসিসি বুঝতে পারবে—এটা ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল নয়, এটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল।’

এর আগেও পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ বিশ্বকাপ বয়কটের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার মতে, এই মুহূর্তে ‘ট্রাম্পকার্ড’ পাকিস্তানের হাতেই। লতিফ বলেন, ‘বাংলাদেশের অবস্থান একদম ঠিক। পাকিস্তানের জন্য এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর আসবে না। পাকিস্তান না খেললে বিশ্বকাপ কার্যত থমকে যাবে।’

লতিফ আরও বলেন, ‘এটা সত্য, ভবিষ্যতে পাকিস্তানকে হয়তো জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। কিন্তু এখন শুধু নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার সময়। বর্তমান ক্রিকেট ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর এটাই উপযুক্ত মুহূর্ত। পাকিস্তানের উচিত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করা।’

এদিকে জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে পিসিবি সূত্রের বরাতে দাবি করা হয়েছে, যদি আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর দাবি না মানে এবং বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এমআই