আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইস্যুতে যা জানাল বিসিবি
খেলা ডেস্ক
০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮:২৪
আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে সৈকতকে নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার পর নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শরফুদ্দৌলার সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ গত এপ্রিলেই শেষ হয়েছে। এরপর নতুন করে কোনো চুক্তি নবায়ন করা হয়নি বলে জানিয়েছে বোর্ড।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, শরফুদ্দৌলা আগে বিসিবির আম্পায়ার হিসেবে চুক্তির আওতায় ছিলেন। তার মূল চুক্তির মেয়াদ গত বছরের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার পর তা বাড়িয়ে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছিল। তবে এলিট প্যানেলের আম্পায়ারের বেশি দায়িত্ব থাকায় তার সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি বিসিবি।
ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, এলিট প্যানেলের আম্পায়ারদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় চুক্তি করা পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর জন্য সাধারণ চর্চা নয়। কারণ, এলিট আম্পায়ারদের আইসিসির চাওয়া অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের ম্যাচে দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বের সঙ্গে জাতীয় বোর্ডের সূচির সমন্বয় করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে শরফুদ্দৌলার সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজের সুযোগ বন্ধ হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে বিসিবি। তার অবসর সময় সাপেক্ষে দ্বিপক্ষীয় আন্তর্জাতিক সিরিজ এবং ঘরোয়া প্রথম শ্রেণি, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় তাকে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।
বিসিবির এই ব্যাখ্যার আগে নতুন চুক্তিবদ্ধ আম্পায়ারদের তালিকায় শরফুদ্দৌলার নাম না থাকা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। বিসিবি ৩৭ জন আম্পায়ার, ৮ জন ম্যাচ রেফারি, একজন কোচ ও আটজন স্কোরারের সঙ্গে নতুন করে চুক্তি নবায়ন করে। তবে সেই প্রক্রিয়ায় এলিট প্যানেলের এই আম্পায়ারকে তালিকায় রাখা হয়নি।
এর আগে ২০২৫ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আম্পায়ারিং ইস্যুকে কেন্দ্র করে শরফুদ্দৌলার সঙ্গে বিসিবির সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছিল। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের শাস্তির সিদ্ধান্ত ঘিরে আম্পায়ারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে আর আম্পায়ারিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শরফুদ্দৌলা।
সেই ঘটনার পর বিসিবিতে পদত্যাগপত্রও পাঠিয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে বিসিবি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। পরবর্তী সময়ে এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত তার চুক্তি বহাল ছিল। এরপর আইসিসির এলিট প্যানেলের এই আম্পায়ারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি তামিমের বোর্ড।
এমআই