Advertisement
Us Bangla Airlines
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে হাসানের সাফল্যের রহস্য যেখানে

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে হাসানের সাফল্যের রহস্য যেখানে

খেলা ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫২

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পেসারদের জন্য সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে ওঠে কন্ডিশন। ঘাসের ছোঁয়া থাকা উইকেট, বাতাসের সহায়তা আর বাড়তি বাউন্স। এই তিনের সমন্বয় একজন দক্ষ পেসারকে ভয়ংকর করে তুলতে পারে। ইংল্যান্ডে খেলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঠিক এই সুবিধাটাই আদায় করেছেন হাসান মাহমুদ।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন এই পেসার। স্বাগতিকদের ৩৫৫ রানে থামানোর পথে হাসান একাই তুলে নিয়েছেন চারটি উইকেট। তবে শুধু উইকেট নয়, তার বোলিংয়ের ধরনই অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের সঙ্গে তার মানিয়ে নেওয়ার বড় প্রমাণ দিয়েছে।

হাসানের সবচেয়ে বড় শক্তি সুইং। সিম ও ওবল সিম কাজে লাগিয়ে দুই দিকেই বল নড়াতে পারেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বাতাসে সেই দক্ষতা আরও কার্যকর হয়ে ওঠেছে। নতুন বলে ব্যাটারদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য যে ধরনের কৌশল দরকার, সেটিই দেখা গেছে তার বোলিংয়ে।

প্রথম ইনিংসে শুরু থেকেই বাংলাদেশের জন্য সাফল্য এনে দেন হাসান। স্যাম কনস্টাসকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে জশ ফিলিপে ও কুর্টিস প্যাটারসনকে সাজঘরে পাঠান তিনি। বিশেষ করে প্যাটারসনের স্টাম্প উড়িয়ে দেওয়া বলটি ছিল তার নিয়ন্ত্রিত সুইংয়ের দারুণ উদাহরণ।

চার উইকেট নেওয়ার দিনে হাসানের বোলিংয়ে ছিল নিয়ন্ত্রণের ছাপ। ১৯ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২.২১ ইকোনমিতে রান দিয়েছেন তিনি। যেখানে অন্য বোলাররা কিছুটা খরুচে ছিলেন, সেখানে হাসান ধরে রেখেছেন লাইন-লেন্থ। রান খরচেও ছিলেন বেশ মিতব্যয়ী।

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে নিজের বোলিং উপভোগ করেন বলেও জানিয়েছেন হাসান। তার মতে, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের মধ্যে মিল রয়েছে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে হাসান বলেন, ‘এখানকার কন্ডিশন খুবই ভালো। বাউন্স এবং সুইং হচ্ছে। বোলিংয়ের দিক থেকে আমরা সবাই ভালো লাইন ও লেন্থ ধরে রাখার চেষ্টা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘লন্ডনের ইউকের কন্ডিশন এবং অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনকে আমি কাছাকাছি বলব। দুই জায়গাতেই বোলিং করতে আমি উপভোগ করি। নতুন বলে দ্রুত উইকেট নেওয়ার মানসিকতা নিয়েই বোলিং করি।’

এমআই