কেন্টে হাসান-খালেদ, একসঙ্গে মাঠে নামার অপেক্ষা
খেলা ডেস্ক
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:১৩
‘আমি ফিরে এসেছি, তবে এবার একা আসিনি।’ কেন্টের সমর্থকদের উদ্দেশে হাসান মাহমুদ যখন কথাটা বললেন, তখন তাঁর পাশেই দাঁড়িয়ে সৈয়দ খালেদ আহমেদ। কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সেই ভিডিও যেন আগেভাগেই জানিয়ে দিল, ইংল্যান্ডের কাউন্টিতে এবার বাংলাদেশের পেস আক্রমণে থাকছে জোড়া উপস্থিতি।
হাসান এরই মধ্যে কেন্টের হয়ে খেলে ফেলেছেন। এবার তাঁর সঙ্গে যোগ দিলেন খালেদ। সব ঠিক থাকলে বুধবার ক্যান্টারবুরিতে উস্টারশায়ারের বিপক্ষে একই ম্যাচে কেন্টের জার্সিতে দেখা যাবে বাংলাদেশের দুই পেসারকে।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উপস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। তবে এতদিন এই অভিজ্ঞতা ছিল কেবল সাকিব আল হাসানের। এবার একই মৌসুমে সেই তালিকায় যুক্ত হলেন দুজন, তাও একই দলের হয়ে। হাসানের পর খালেদের হাত ধরে কেন্টে তৈরি হলো বাংলাদেশের পেস জুটির নতুন গল্প।
খালেদের জন্য সুযোগটি আরও বিশেষ। দেশের বাইরে কোনো ক্লাবের হয়ে এবারই প্রথম খেলতে যাচ্ছেন ৩৩ বছর বয়সী এই পেসার। বাংলাদেশের হয়ে ১৮ টেস্টে ৩৪ উইকেট নেওয়া খালেদ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সফরের দলেও ছিলেন। তবে দুই টেস্টের কোনোটিতেই মাঠে নামার সুযোগ হয়নি তাঁর।
এবার সেই অপেক্ষা মেটাতে চান কাউন্টি ক্রিকেটের মঞ্চে। কেন্টের হয়ে শুধু নিজের সামর্থ্য দেখানো নয়, দলের প্রমোশন নিশ্চিত করতেও অবদান রাখতে চান খালেদ।
কেন্টের ওয়েবসাইটে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে পারা এবং কেন্টের মতো একটি সমৃদ্ধ ইতিহাসসম্পন্ন ক্লাবে যোগ দেওয়া আমার জন্য সম্মানের ব্যাপার। মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি এবং দলকে প্রমোশন পেতে সাহায্য করতে আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
কেন্টে আসার সিদ্ধান্ত নিতে অবশ্য খুব বেশি ভাবতে হয়নি তাঁকে। কারণ সামনে ছিলেন হাসান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর এজেন্টও। দুজনের কাছ থেকেই কেন্ট সম্পর্কে ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা শুনেছেন খালেদ।
‘যখন প্রস্তাবটি প্রথম পাই, তখন “হ্যাঁ” বলাটা খুবই সহজ ছিল আমার জন্য। হাসান এবং আমার এজেন্ট দুজনেই কেন্টের সঙ্গে তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে এবং এই ক্লাব আসলে কেমন একটি পরিবার, সে সম্পর্কে আমাকে অনেক ভালো কথা বলেছেন।’