২ বছর নিষিদ্ধ হতে পারেন পাকিস্তানি তারকা
খেলা ডেস্ক
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৫৮
ইনজুরি নিয়ে বিতর্কে বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন পাকিস্তানের ব্যাটার ইমাম-উল-হক। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে তার চোটের ঘটনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা হতে পারে ইমামের, জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
লর্ডস টেস্টের প্রথম দিন ফিল্ডিংয়ের সময় পায়ের পেশিতে লো-গ্রেড স্ট্রেইনে আক্রান্ত হন ইমাম। চোটের কারণে পরদিন পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করেননি তিনি। ইংল্যান্ডের ২৯০ রানের জবাবে মাত্র ১১০ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ে নামেননি ইমাম। ৩৮৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১৯৪ রানে।
ইমামের চোট নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরই তদন্তের উদ্যোগ নেয় পিসিবি। সূত্র জানিয়েছে, এর আগে একই ধরনের ঘটনায় ইমামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও নতুন তদন্তের আওতায় আসতে পারে।
২০২৫ সালের মার্চে নিউজিল্যান্ড সফরের সময় ইনডোর অনুশীলনে তার ডান পায়ের বড় আঙুলে বল লাগে। ওই ঘটনার পর পিসিবির একটি তদন্ত কমিটি ইমামের বিরুদ্ধে চোটের উপসর্গ তৈরি, বাড়িয়ে বলা কিংবা ভুলভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে মেডিকেল স্টাফদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ তোলে।
তদন্ত কমিটির দাবি ছিল, ওই ঘটনায় ইমাম ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে খেলার অনুপযোগী হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। এবার লর্ডসের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ায় পুরোনো অভিযোগও সামনে এসেছে। সূত্রের দাবি, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ইমামকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে।
এদিকে উইকেটকিপারব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানকেও নিয়ে অসন্তুষ্ট পিসিবি। তার শৃঙ্খলা নিয়ে বোর্ডের গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র। বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনগুলোতে রিজওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
সূত্র আরও জানিয়েছে, আপাতত পাকিস্তানের কোনো দলে রিজওয়ানের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা কম। ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে বোর্ড। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে দলে বড় পরিবর্তন আনে পিসিবি। সেই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে ইমাম ও রিজওয়ানসহ কয়েকজন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়।
এখন লর্ডসের ইনজুরি বিতর্কের তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন ইমাম-উল-হক।
এমআই