লড়াইটা জমাতেই পারছে না অনূর্ধ্ব-১৭ দল
খেলা ডেস্ক
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:০৮
গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফিতে যেন জয়ের দেখাই পাচ্ছে না অনূর্ধ্ব-১৭ দল। বৃহস্পতিবার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষেও দাঁড়াতে পারল না তারা। আবদুল্লাহ আল মুহি, কাউসার আহমেদ ও রাকিবুল হাসান রুসাফির ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে ২৮৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে ৫০ ওভার খেলেও ১৭১ রানের বেশি করতে পারেনি অনূর্ধ্ব-১৭ দল। তাতে ১১৫ রানের বড় জয় পেয়েছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
এই জয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফিতে তিন ম্যাচেই জয়ের দেখা পেল অনূর্ধ্ব-১৯ দল। পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে তারাই আছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। বিপরীতে তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে টেবিলের তলানিতে অনূর্ধ্ব-১৭ দল। বয়সে সবচেয়ে ছোটরা টুর্নামেন্টে যেন লড়াইটা জমাতেই পারছে না।
২৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অবশ্য শুরুটা খারাপ ছিল না অনূর্ধ্ব-১৭ দলের। পাওয়ার প্লেতে ৪৪ রান তোলেন দুই ওপেনার নূর এ আলম ও আবদুল্লাহ হিল গালিব। ৩৫ বলে এক চারে ১৩ রান করা নূর এ আলমকে ফিরিয়ে ৪৪ রানের জুটি ভাঙেন মেহেরাব হোসেন সিজান।
এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক লরেঞ্জ রায়। এক প্রান্ত আগলে রেখে তুলে নেন অর্ধশতক। তবে অধিনায়ক ফিরতেই আবারও চাপে পড়ে যায় অনূর্ধ্ব-১৭ দল। এক প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান অলরাউন্ডার সুজন। শেষ পর্যন্ত ৭৭ বলে ৪৪ রান করে ৪৯তম ওভারে ফেরেন তিনিও।
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল রাকিবুল হাসান রুসাফি। তিনি শিকার করেন তিন উইকেট। শাকিল খান ও রবিউল হাসান অনিক নেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পান রুবাই ইসলাম জীবন ও মেহেরাব হোসেন সিজান।
এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় দুই ওপেনার আবদুল্লাহ আল মুহি ও কাউসার আহমেদ। দুজনের ব্যাটে আসে ১১৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
দুজনই তুলে নেন ফিফটি। ৫২ বলে ৫৯ রান করা মুহিকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন অনূর্ধ্ব-১৭ দলের মুহিব জগিরদার। এরপর ৭৪ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলেন মাজেদুল। শেষ দিকে টেলএন্ডারদের ছোট ছোট অবদানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৮৬ রানের বড় সংগ্রহ পায় অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
অনূর্ধ্ব-১৭ দলের হয়ে মাজেদুল নেন তিন উইকেট। লিখন, মুহিব, ইফতেখার ও ইমরান ভূঁইয়া একটি করে উইকেট শিকার করেন। তবে সেই বোলিংয়ের পরও ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়তে পারেনি অনূর্ধ্ব-১৭ দল। শেষ পর্যন্ত ১১৫ রানের বড় হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
এমআই