ওয়ানডে বিশ্বকাপের নতুন সূচিতে ২০১৫ সালের স্মৃতি
খেলা ডেস্ক
০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:০৭
২০১৫ বিশ্বকাপের পর এবারও প্রায় একই প্রতিপক্ষদের নিয়ে গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও কোয়ালিফায়ার থেকে উঠে আসা একটি দল। ১২ বছর আগের সেই বিশ্বকাপের স্মৃতি তাই ফিরে এসেছে নতুন সূচিতে।
২০১৫ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপে ছিল ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। ২০২৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার জায়গা নিয়েছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। বাকি প্রতিপক্ষদের মধ্যে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। গ্রুপে দলের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আফগান এবার ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে।
২০১৫ সালে গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচের স্মৃতি এবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে টাইগারদের। তবে এবার নকআউট পর্বে যেতে হলে গ্রুপের শীর্ষ তিনে থাকার পাশাপাশি পরের ধাপের হিসাবও মাথায় রাখতে হবে।
বাংলাদেশের জন্য তুলনামূলক পরিচিত প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। র্যাঙ্কিংয়ে অবশ্য এগিয়ে লঙ্কানরা। আর কোয়ালিফায়ার থেকে আসা দলের বিপক্ষেও জয়ের লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশের। এই দুই ম্যাচে সাফল্য পরের পর্বের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কাজটা কঠিন হবে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের হারানোর অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের আছে। ২০১৯ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ফলে ঘরের মাঠে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ থাকলেও ম্যাচটি একেবারে অসম্ভব নয়।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হবে বাংলাদেশকে। তবে ইংল্যান্ডের সাম্প্রতিক বাজে ফর্মের সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবে টাইগাররা। ২০১৫ বিশ্বকাপে যে ইংল্যান্ডকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল বাংলাদেশ, এবারও সেই ম্যাচকে ঘিরে থাকবে আলাদা নজর।
ইংল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে এবার বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করবে লিটনের দল। এ ম্যাচ জিততে পারলে যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়বে, তেমনি পয়েন্ট টেবিলেও এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশ। কোয়ালিফায়ার থেকে আসা দলের সঙ্গে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে টাইগাররা। সেখানে সুপার সেভেনে খেলার সমীকরণ মেলানোর সুযোগও পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশের শক্তির জায়গা হতে পারে বোলিং। বিশেষ করে পেস আক্রমণ পুরোপুরি সুস্থ ও ছন্দে থাকলে বড় দলগুলোকেও চাপে ফেলার সামর্থ্য রয়েছে টাইগারদের। ব্যাটিং নিয়ে থাকছে বড় প্রশ্ন। তবে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ব্যাটাররা প্রত্যাশা অনুযায়ী রান করতে পারলে ২০১৫ সালের স্মৃতি ফিরতে পারে আরেকবার।
এমআই