
মাঠে ফিরেই হৃদয়-মুশফিকের রান, তবুও হারল রাজশাহী
খেলা ডেস্ক
১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:৪৮
জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ তাওহীদ হৃদয় এবং মুশফিকুর রহিম। লাল-সবুজের জার্সিতে দুজনেই খেলেন মিডল অর্ডারে। আবার দুজনের বাড়িই বগুড়া। ইনজুরির কারণে দুই ব্যাটারই ক্যারিবিয়ান সফরে জাতীয় দলের সাথে থাকতে পারেননি। এবার ইনজুরি কাটিয়ে একত্রে ২২ গজে ফিরেছেন এ দুই ডানহাতি। একই জেলায় বাড়ি হওয়ায় রাজশাহী বিভাগের হয়ে খেলছেন তারা।
মঙ্গলবার সিলেটের আউটার স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের বিপক্ষে মাঠে নামেন হৃদয়-মুশফিক। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরে রান পেলেও দলকে জেতাতে পারেননি এ দুই ব্যাটার। চট্টগ্রামের বিপক্ষে মাত্র ৪ রানে হেরেছে শান্তের দল। এটি রাজশাহীর টানা চতুর্থ হার। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচের পর টানা হেরেই চলেছে তারা।
সিলেটে এদিন টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচের চতুর্থ ওভারে জাতীয় দলের সাবেক ফাস্ট বোলার শফিউল ইসলামের হাত ধরে প্রথম সাফল্যের দেখা পায় রাজশাহী। তবে বাকি বোলাদের ব্যর্থতায় চট্টগ্রামের রানের লাগাম ধরতে পারেনি শান্তের দল। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় চট্টগ্রাম।
তামিমের অনুপস্থিতিতে এদিন চট্টগ্রামের হয়ে ওপেনিং করেন মমিনুল হক। ৩৬ বলে ৫২ রান করেন এ বাঁহাতি। চার নামা ইরফান শুক্কুর আট বাউন্ডারি এবং এক ছয়ে করেন ৫৪ রান। এছাড়া তিনে নামা দীপুও খেলেন আগ্রাসী ইনিংস। তাতে স্কোরবোর্ডে বড় রান জমা করে বন্দর নগরীর দলটি।
চট্টগ্রামের দেওয়া বড় লক্ষ্যের জবাবে মাত্র ৪ রানেই প্রথম উইকেট হারায় রাজশাহী। আগের ম্যাচের খলনায়ক ইরফানের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন রাজশাহীর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দলীয় ৭৫ রানের মাথায় তিন উইকেট হারালে রাজশাহীর হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয় এবং মুশফিকুর রহিম।
ইনজুরি কাটিয়ে ফিরে আসা এ দুই ব্যাটার চতুর্থ উইকেটে ১০২ রানের জুটি গড়েন। অর্ধশতক থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন মুশফিক। পরের ওভারেই ডাগ আউটের পথ ধরেন ফিফটি হাঁকানো তাওহীদ হৃদয়। তাতে জেতা ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে রাজশাহীর জন্য।
হৃদয়-মুশফিক আউট হওয়ার পর শেষ ৩ বলে রাজশাহীর ৬ রান প্রয়োজন হলেও তা নিতে পারেননি রেজা-শফিউলরা। তাতে টানা চতুর্থ হারের মুখ দেখতে হলো নাজমুল শান্তের দল।
চট্টগ্রামের হয়ে এদিন আহমেদ শরীফ ৩টি এবং স্পিনার নাইম হাসান ২টি উইকেট শিকার করেন।
এমআই