
৩৯ বল হাতে রেখেই জয় পেল বাংলাদেশ
খেলা ডেস্ক
৩০ আগস্ট ২০২৫, ২১:১৬
লক্ষ্যটা ছোটই ছিল। জয়ের জন্য বিশ ওভারে করতে হতো মাত্র ১৩৭ রান। নামের ভারে পিছিয়ে থাকা নেদারল্যান্ডসের ছোট লক্ষ্য ১৩.৩ ওভারেই টপকেছে বাংলাদেশ। বলের হিসাবে লিটনদের হাতে ছিল আরও ৩৯ বল এবং উইকেট ছিল ৮টি। সবমিলিয়ে নেদারল্যান্ডস সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে টাইগাররা।
সিলেটে আজ শনিবার টসে হেরে শুরুতে ব্যাটিং করে নেদারল্যান্ডস। তাসকিন-মোস্তাফিজদের বোলিং তোপে ১৩৬ রানেই থামে সফরকারীদের ইনিংস। জবাবে দুর্দান্ত শুরু পায় বাংলাদেশ। লিটন দাসের ফিফটি আর সাইফ হাসানের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ৩৯ বল হাতে রেখেই জয় পায় লাল-সবুজের দল।
১৩৭ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু পেয়েছিল লিটন দাসের দল। ইনিংসের প্রথম তিন বলের তিনটিই সীমানা ছাড়া করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন। উড়ন্ত সূচনা পাওয়া এই ওপেনার অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আরিয়ান দত্তের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে ৯ বলে ১৫ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
ইমন দ্রুত ফিরলেও তিনে নেমে রানের চাকা সচল রাখেন লিটন দাস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তানজিদ তামিম। শুরু থেকেই দেখে-শুনে ব্যাটিং করার চেষ্টা করেন তামিম। তবে উইকেটে থিতু হওয়ার পর ফুলটস ডেলিভারিতে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনি। ২৪ বলে ২৯ রান করে আউট হওয়া তামিম নিজের আউটকে বিশ্বাসই করতে পারেননি।
তামিমের বিদায়ের পর মাঠে নামেন সাইফ হাসান। লিটনকে সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান তিনি। ম্যাচ শেষে ৫৪ রানে অপরাজিত ছিলেন লিটন দাস। মাত্র ২৬ বলেই ফিফটির দেখা পেয়েছেন তিনি। আর ১৯ বলে অপরাজিত ৩৬ রান করেছেন চারে নামা সাইফ হাসান।
বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন তাসকিন, সাইফ ও মোস্তাফিজুর রহমান #BANvsNED
Posted by Khela.com on Saturday, August 30, 2025
এর আগে শুরুতে বল করতে নেমে সফরকারীদের বড় পরীক্ষা নিয়েছে টাইগাররা। ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে ভালো শুরু পেলেও নেদারল্যান্ডস শিবিরে টানা আঘাত করেন তাসকিন আহমেদ। লম্বা বিরতির পর একাদশে জায়গা পেয়ে দলকে জোড়া ব্রেকথ্রু এনে দেন অলরাউন্ডার সাইফ হাসান।
মোস্তাফিজের কাটারেও নিজেদের ব্যাটিং দক্ষতা টের পেয়েছে ডাচ ব্যাটাররা। ৪ ওভারে ১৯ রান খরচায় ১ উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজ। ২ ওভারে ১৮ রান বিলিয়ে ২ উইকেট পেয়েছেন স্পিনার সাইফ হাসান। আর ৪ ওভারে ২৮ রান ব্যয়ে ৪ উইকেট শিকার করা তাসকিন পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরস্কার।
এমআই