Advertisement
Us Bangla Airlines
বিগ ব্যাশে দল কিনছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা!

বিগ ব্যাশে দল কিনছে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকরা!

খেলা ডেস্ক

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫৫

বিগ ব্যাশ লিগে (বিবিএল) বেসরকারি বিনিয়োগের অনুমতি দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। তাতেই আগ্রহ দেখিয়েছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক। তবে আগ্রহ থাকলেও সিএর কঠোর শর্তই এখন বড় বাধা। নিয়মের বেড়াজাল পেরিয়ে দল কেনা একটু কষ্টসাধ্যই বটে।

সিএ জানিয়েছে, আইপিএল মালিকদের পাশাপাশি কয়েকজন ভারতীয় বিনিয়োগকারীও বিবিএলে দল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠান রেইন গ্রুপ, যারা গত বছর ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেডের ফ্র্যাঞ্চাইজি বিক্রির কাজও করেছিল।

এ মুহূর্তে ১০০ শতাংশ মালিকানা বিক্রির জন্য উন্মুক্ত মেলবোর্ন রেনেগেডস। তবে নতুন মালিককে দলটির ব্র্যান্ড ও সমর্থকগোষ্ঠী নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। পরবর্তী সময়ে হোবার্ট হারিকেনস ও পার্থ স্কর্চার্সের মালিকানার অংশ বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে বিনিয়োগকারীরা সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ মালিকানা পাবেন।

বিশ্বের অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে তারা সাধারণত পূর্ণ বা নিয়ন্ত্রণমূলক মালিকানা পান। কিন্তু বিবিএলে আন্তর্জাতিক সূচি, খেলোয়াড়দের প্রাপ্যতা, বেতনসীমা, ব্র্যান্ডিং ও বিনিয়োগকারী অনুমোদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় সিএ। এটাই আইপিএল মালিকদের বড় আপত্তি।

অস্ট্রেলিয়ার তারকা ক্রিকেটারদের পাওয়া নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও বিবিএল প্রায়ই একই সময়ে হওয়ায় জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিয়মিত পাওয়া যায় না। প্যাট কামিন্স ২০১৬ সাল থেকে বিবিএলে খেলেছেন মাত্র সাতটি ম্যাচ, অথচ একই সময়ে আইপিএলে খেলেছেন ৭৬টি।

বিদেশি ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও নিশ্চয়তা নেই। একই সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০ ও বাংলাদেশের বিপিএল থাকায় এবং অস্ট্রেলিয়ার তুলনামূলক বেশি করব্যবস্থার কারণে বিদেশি খেলোয়াড়রা অন্য লিগ বেছে নিতে পারেন।

ভ্রমণও বড় সমস্যা। পার্থে খেলতে গেলে কোনো দলের পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, বিবিএলের অধিকাংশ দলই লাভ করছে বলে জানা গেছে। তবে আইপিএল মালিকদের আগ্রহ থাকলেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে আরও নমনীয় হতে হবে।

এমআই