
বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস সিরিজে বিসিবির কড়া ১২ নিয়ম
খেলা ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৫, ১৬:৩৭
এশিয়া কাপের প্রস্তুতি হিসেবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। আগামীকাল (শনিবার) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে। একই ভেন্যুতে বাকি দুই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। অন্যথায় শাস্তির মুখে পড়বেন দর্শক-সমর্থকেরা।
একনজরে বিসিবির কড়া ১২ নিয়ম
১. দর্শকদের বিসিবির সকল নিয়মকানুন এবং স্পনসরদের বাণিজ্যিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে।
২. স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময় নিচের বস্তুগুলো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ: আগ্নেয়াস্ত্র, ফ্লেয়ার, আতশবাজি, লেজার পয়েন্টার, ম্যাচ/লাইটার, সিগারেট, ভিডিও ক্যামেরা, পেশাদার ক্যামেরা, লাঠি সহ পতাকা, ভুভুজেলা, কাচ/কর্কযুক্ত বোতল, ছুরি, ক্যান, আয়না, বাঁশি, এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ যে কোনো বস্তু।
৩. স্টেডিয়ামে কোনো ধরনের ব্যক্তিগত ক্ষতি বা দুর্ঘটনার জন্য বিসিবি দায়ী থাকবে না।
৪. যে কেউ মাঠ বা দর্শকসারির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠলে, বিসিবি তার স্টেডিয়ামে প্রবেশ নিষিদ্ধ বা গ্যালারি থেকে বহিষ্কারের অধিকার রাখে।
৫. স্টেডিয়ামে বাইরের খাবার ও পানীয় নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। নিরাপত্তার স্বার্থে দর্শকদের তল্লাশি করা হবে।
৬. স্টেডিয়ামের ভেতরে বা বাইরে অনুমোদনহীন কোনো ব্র্যান্ডিং, বিজ্ঞাপন বা প্রচারণা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
৭. ক্রিকেটে দুর্নীতিমূলক যেকোনো কার্যকলাপ প্রতিরোধে বিসিবি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং অপরাধীকে আইনানুগ কর্তৃপক্ষের কাছে সোপর্দ করবে।
৮. স্টেডিয়ামে বাজি সংক্রান্ত যেকোনো কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
৯. বাজির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিসিবির দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে শাস্তিযোগ্য অপরাধী হিসেবে বিবেচিত হবে।
১০. স্টেডিয়ামের সব স্ট্যান্ড সম্পূর্ণরূপে ধূমপানমুক্ত এলাকা। এখানে ধূমপান করা যাবে না।
১১. প্রত্যেক দর্শককে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)–এর বৈষম্যবিরোধী নীতি মেনে চলতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে স্টেডিয়াম থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে।
১২. জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, সংস্কৃতি, জাতীয়তা, অক্ষমতা, বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ যদি ভাষা, অঙ্গভঙ্গি বা আচরণের মাধ্যমে কাউকে অপমান, ভয় দেখানো বা অবমাননা করেন, তবে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এমআই