Advertisement
Us Bangla Airlines
সর্বোচ্চ রান করেও জিতল না বাংলাদেশ

সর্বোচ্চ রান করেও জিতল না বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক

১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০:৫৬

পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি লড়াইয়ে পাকাপোক্ত নাটকই যেন লেখা ছিলই। কক্সবাজার একাডেমি গ্রাউন্ডে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল সর্বোচ্চ রান তুলেও শেষ হাসি হাসতে পারল না। বিপরীতে ৬ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

সিরিজের প্রথম চার ম্যাচে দুই দলই দুইটি করে জয় পেয়েছে। অর্থাৎ সিরিজের শেষ ম্যাচে জন্ম নিয়েছে রোমাঞ্চ। কক্সবাজারে পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে নির্ধারিত হবে, কার হাতে উঠবে সিরিজ জয়ের ট্রফি। ফলে আরেকটি জয়ের অপেক্ষায় শেষ ম্যাচে তাকিয়ে থাকতে হবে টাইগার ভক্তদের।

এদিকে আজ বুধবার টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়া পাকিস্তানের বিপক্ষে উড়ন্ত শুরু এনে দেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার। আগ্রাসী মেজাজে খেলেন সুমাইয়া আক্তার সুবর্না—২১ বলে ২০ রান, তিনটি চারের মিঠে শট। তার সঙ্গী সাদিয়া নুসরাতও ছিলেন ছন্দে; ১৪ বলে তিন চারে নেন ১২ রান।

অধিনায়ক সাদিয়া ইসলাম দ্রুত ফিরলেও ইনিংসকে বড় করে তোলেন সূচনা ও মাইমুনা। দুজন মিলে ৪২ বলে ৪৮ রানের মূল্যবান জুটি গড়ে চাপ সামলে নেন। সূচনা খেলেন দলের ইনিংসের সেরা ৩৫ রান (৪টি চার), মাইমুনা করেন ধীরস্থির ২৪। 

তবে শেষ ওভারে রান তোলার গতি কমে যাওয়ায় ৭ উইকেটে ১২৬ রানে থামে বাংলাদেশ। তবে এই রানই চলমান সিরিজে বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। পাকিস্তানের হয়ে রোজিনা আকরাম ও মেমুনা খালিদ নেন দুটি করে উইকেট।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় পাকিস্তান। মাত্র ১৭ বলেই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ৩৩ রান। তবে হাবিবা ইসলাম পিঙ্কির নিখুঁত ডেলিভারিতে কমল খান বোল্ড হলে কিছুটা স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ শিবিরে। পরে তিন উইকেট তুলে দুর্দান্ত স্পেল করেন জারিন তাসনিম লাবণী; একটি উইকেট নেন হাবিবাও।

কিন্তু ম্যাচের মোড় শেষ পর্যন্ত ঘুরিয়ে দেন ইমান নাসির ও ফায়েজা ফাইয়াজ। বাংলাদেশের ফিল্ডিং ব্যর্থতায় ১৬তম ওভারে দুটি এবং ১৭তম ওভারে আরেকটি ক্যাচ ছাড়ার মূল্য চুকাতে হয় বড়ভাবে। সুযোগগুলো হাতছাড়া করে ম্যাচ পুরোপুরি চলে যায় পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণে।

ইমান-ফাইয়াজের ঠাণ্ডা মাথার ব্যাটিং পাকিস্তানকে ১৮.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেয়। সিরিজ এখন ২-২ সমীকরণে সব উত্তেজনা জমা রইল শেষ ম্যাচের জন্য। যেখানে সিদ্ধান্ত হবে কে হবে কক্সবাজার যুদ্ধে রাজকীয় বিজয়ী।

এমআই