Advertisement
Us Bangla Airlines
সুজন-তালহার অনুশীলন বয়কটের কারণ জানা গেল

সুজন-তালহার অনুশীলন বয়কটের কারণ জানা গেল

খেলা ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০১

বিপিএলের উদ্বোধনী বল মাঠে গড়ানোর আগেই যেন নাটকের পূর্ণ কোটা! শুরু হতে আর ২৪ ঘণ্টাও বাকি নেই, এর মধ্যেই একের পর এক অস্বস্তিকর ঘটনায় কাঁপছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বৃহস্পতিবার সকালটা যেখানে শুরু হয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা বদলের খবরে, দুপুর গড়াতেই নেতিবাচক শিরোনামে উঠে আসে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

নানা অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে দলীয় অনুশীলন বয়কট করেন নোয়াখালীর প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের। অনুশীলন মাঠ ছাড়ার পর সিএনজিতে করে তারা চলে যান, এরপর হোটেল থেকে ব্যাগ গুছিয়ে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। এমনকি বিমানের টিকিটও কেটে ফেলেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তালহা জুবায়ের নিজেই।

তালহা বলেন, ‘আমাদের অধীনে কিছুই নেই। কোচ হওয়া সত্ত্বেও আমরা কিছু জানি না। সুজন ভাইও জানে না। আমাদের কোনো দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। অনুশীলনের মতো ন্যূনতম কিছুই নেই—বল নেই, স্ট্যাম্প নেই, এমনকি রাবারের স্ট্যাম্পও না। আমরা পেশাদারভাবে কাজ করি, কিন্তু এই বিপিএলে গত দুই দিন ধরে কাজই করতে পারছি না।’

অভিযোগের তালিকা এখানেই শেষ নয়। নোয়াখালী ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছ থেকে সময়মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না পাওয়ার ক্ষোভও ঝরেছে তালহার কণ্ঠে।

তালহা বলেন, ‘ঢাকায় থাকাকালীন আমাদের প্র্যাকটিস থাকত ১১টায়, আর বল আসত ১টায়। তখন ক্রিকেটারদের কাছ থেকে বল নিয়ে অনুশীলন করিয়েছি। এখানে এসে বল বুঝিয়ে দিতেও চায় না, যেন আমরা চুরি করব। আজ অনুশীলনে এসেছি, কাল প্রথম ম্যাচ। অথচ আজ বল এসেছে মাত্র তিনটা, আর কিছুই নেই, মানে একেবারেই কিছু নেই।’

এই পরিস্থিতিতে আর কাজ চালিয়ে যাওয়ার কোনো মানে দেখছেন না সুজন-তালহা। এমনকি সিলেট ছাড়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছেন তারা। তালহার ভাষায়, ‘সবকিছু যদি ওদের লোকজনই করে, তাহলে আমরা কাজ করব কীভাবে? নিজের সম্মানহানি করে কাজ করা সম্ভব না। আমরা চলে যাচ্ছি। ফ্লাইটের টিকিট কাটা, ব্যাগ গুছানো সব শেষ।’

বিপিএলে ইতোমধ্যে তিন দল নিজেদের পারিশ্রমিক বুঝে পেয়েছেন। তবে নোয়াখালীর ক্রিকেটার-কোচরা কানাকড়িও পায়নি। এ নিয়ে তালহা জোবায়ের বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো পেমেন্ট পাইনি। ডে-এলাউন্সও না। আমাদের হাতে কোনো টাকা-পয়সাই আসেনি। এই বিপিএল আমি করব না, সুজন ভাইও করবে না।’

এমআই