সাব্বিরের ক্যামিওতে প্রথম ম্যাচে জয় পেল ঢাকা ক্যাপিটালস
খেলা ডেস্ক
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৩৬
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না। জিততে দরকার মাত্র ১৩৩ রান। কিন্তু ছোট লক্ষ্য তাড়াও যে কখনো কখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, সেটাই প্রমাণ করল ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরুতে খেই হারিয়ে ফেললেও শেষদিকে সাব্বির রহমানের ঝরঝরে ক্যামিওতে বিপদ কাটিয়ে উঠে প্রথম ম্যাচেই জয়ের হাসি হাসল শাকিব খানের দল।
৭ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটের জয়। স্কোরবোর্ডে দেখতে স্বস্তিদায়ক হলেও ম্যাচের ভেতরের গল্পটা ছিল খানিকটা নাটকীয়। নাসিরের মন্থর ব্যাটিং আর উইকেট হারানোর মিছিলে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে ঢাকা। তবে মাঠে নেমেই ম্যাচের গতিপথ বদলে সাব্বির। দুই চার আর এক ছক্কায় ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৩২ রান। সিলেটের বিপক্ষে আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারকে পরীক্ষা দিতে না হলেও আজ ঢাকার বোলারদের সামনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয় রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপ।
ইনিংসের প্রথম বলেই ধাক্কা খায় রাজশাহী। ইমাদ ওয়াসিমের বলে স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা স্থিতি ফেরান। তবে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে ১৫ বলে ২০ রান করে নাসিরের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তানজিদ।

চারে নেমে ইয়াসির আলীও প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৩ রান করে ইমাদের শিকার হন তিনি। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শান্ত আজও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করছিলেন। কিন্তু তিনিও থামেন ইমাদের ঘূর্ণিতে। ২৮ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন রাজশাহীর অধিনায়ক। পরের ওভারে রানের খাতা না খুলেই জিয়ার বলে বিদায় নেন মেহরব।
শেষদিকে মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ইনিংস টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে টি-টোয়েন্টির চেয়ে ওয়ানডে ধাঁচের ব্যাটিংয়ে আটকে যান দু’জনই। মুশফিক ২৩ বলে ২৪ রান করে নাসিরের বলে আউট হন। নাওয়াজ ২৬ বলে ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন।
ঢাকার হয়ে ইমাদ ওয়াসিম ছিলেন দুর্দান্ত, ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। নাসির নেন ২টি। এছাড়া সালমান মির্জা, জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নেন একটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে চাপেই পড়ে ঢাকা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে। তবে শেষদিকে সাব্বির রহমানের কার্যকর ক্যামিওতেই বদলে যায় ম্যাচের মোড়। ঝুঁকি না বাড়িয়ে হিসেবি ব্যাটিংয়ে তিনি দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।
ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন তিনে নামা আবদুল্লাহ আল মামুন। এছাড়া সাব্বিরের ১০ বলে অপরাজিত ২১, উসমান খান ১৮, শামীম ১৭ ও অধিনায়ক মিথুন করেছেন ১২ রান।
এমআই