সুপার ওভারে রংপুরকে হারিয়ে ম্যাচ জিতল রাজশাহী
খেলা ডেস্ক
০১ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৫৩
২ বলে দরকার ছিল মাত্র ১ রান। নুরুল হাসান ক্যাচ তুলে দিলেন ইয়াসির আলীর হাতে। নতুন ব্যাটার হিসেবে উইকেটে এলেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ বলে ব্যাটে লেগেছিল বল, রান নেওয়ার চেষ্টাও ছিল। কিন্তু অপর প্রান্তের ক্রিজে পৌঁছানোর আগেই স্টাম্প ভেঙে দিলেন মেহরব হোসেন। অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচটি গড়াল টাইয়ে। সেখানেই জিতে গেল রাজশাহী।
সুপার ওভারের লড়াইয়ে রংপুর রাইডার্সকে পাত্তাই দেয়নি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। রিপন মণ্ডলের টানা ইয়ার্কারে নাস্তানাবুদ উত্তরবঙ্গের দলটি। তাতে সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬ রান তুলতে পারে রংপুর রাইডার্স। জবাবে তানজিদ তামিমের দুই বাউন্ডারিতে মাত্র তিন বলেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজশাহী তোলে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান। জবাবে রংপুরও ৬ উইকেট হারিয়ে করে ঠিক ১৫৯ রান। যার ফলেই ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। ওপেনার লিটন কুমার দাস ১১ বলে ১৬ রান করে ফিরলে চাপ বাড়ে। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয় ম্যাচে ফেরান রংপুরকে। এই জুটিতে আসে ১০০ রান। দুজনেই ফিফটি পূর্ণ করেন।
অর্ধশতক ছুঁয়ে ৫৩ রানে আউট হন হৃদয়। অন্য প্রান্তে কাইল মেয়ার্সকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করার পথে ছিলেন মালান। তিনি অপরাজিত থাকেন ৬৫ রানে, মেয়ার্স থাকেন ১৫ রানে। কিন্তু শেষ বলের নাটকীয়তায় জয় হাতছাড়া হয় রংপুরের।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর শুরুটা ছিল নড়বড়ে। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফিরেন, ৬ বলে ২ রান করে। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও ফারহান রাজশাহীকে শক্ত ভিত এনে দেন। দুজনের জুটিতে আসে ৯৩ রান।
৩০ বলে ৪১ রান করে রানআউটে কাটা পড়েন শান্ত। তাতে ভাঙে বড় জুটি। অন্য প্রান্তে ৩৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করা ফারহান শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে করেন ৬৫ রান। শান্ত–ফারহান ছাড়া বাকিরা বড় অবদান রাখতে না পারায় বড় সংগ্রহ পায়নি রাজশাহী। তবে শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারের নাটকে ঠান্ডা মাথার পারফরম্যান্সেই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এমআই