Advertisement
Us Bangla Airlines
ছোট লক্ষ্যের ম্যাচে তুমুল লড়াই করে জিতল চট্টগ্রাম

ছোট লক্ষ্যের ম্যাচে তুমুল লড়াই করে জিতল চট্টগ্রাম

খেলা ডেস্ক

০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩৭

লো স্কোরিং ম্যাচ মানেই যে একপেশে লড়াই তা নয়, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সেটাই প্রমাণ করল চট্টগ্রাম রয়্যালস। ১২৯ রানের ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমে শেষ বল পর্যন্ত শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের পর ২ উইকেটে জয় তুলে নেয় টেবিল টপাররা।

শেষ মুহূর্তে নাটক ছিল ঠাসা। শেষ বলে যখন দরকার ছিল মাত্র ২ রান, তখন সুপার ওভারের শঙ্কাও উঁকি দেয়। কিন্তু চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় খেললেন হাসান নেওয়াজ। শেষ বলেই ২ রান নিয়ে চট্টগ্রামকে এনে দেন কাঙ্ক্ষিত জয়। সাত ম্যাচে এটি চট্টগ্রামের পঞ্চম জয়।

চলমান বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের ম্যাচগুলো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই ধাক্কা খায় রাজশাহী। দলীয় ২১ রানে ১৪ বলে ১৯ রান করা ওপেনার মোহাম্মদ ওয়াসিমকে বোল্ড করে বিপর্যয়ের শুরুটা করেন স্পিনার তানভীর ইসলাম। এরপর আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারেনি রাজশাহী, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা।

বিপিএলে এমন রেকর্ড আগে করেনি কেউ!

নাজমুল হোসেন শান্ত (৭) ও তানজিদ হাসান তামিম (৭) দুইজনই ব্যর্থ হন। ওয়াসিম ও এস এম মেহরবের করা সমান ১৯ রানই রাজশাহীর পক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। এ ছাড়া আকবর আলি ১৭, মুশফিকুর রহিম ১৫ এবং তানজিম হাসান সাকিব ১৪ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৮ রান।

চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন আমির জামাল, ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় নেমে চট্টগ্রামও শুরু থেকেই চাপে পড়ে। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস গড়েন হাসান নেওয়াজ। টেস্ট মেজাজে খেলে ৩৬ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ২৫ বলে ২৮, আসিফ আলি ২৫ বলে ২৭ এবং অ্যাডাম রসিংটন ১৭ রান করে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন।

নোয়াখালীর হ্যাটট্রিক হারের ম্যাচে জিতল রাজশাহী

শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১০ রান। রাজশাহীর পেসারদের বোলিং কোটা শেষ হয়ে যাওয়ায় দায়িত্ব দেওয়া হয় স্পিন অলরাউন্ডার এস এম মেহরবকে। ওভারের প্রথম তিন বলে এক বাউন্ডারিসহ দেন ৮ রান, পরের দুই বল ডট—ম্যাচ জমে ওঠে তুঙ্গে। একটি রানআউটের সুযোগ হাতছাড়া না হলে ভিন্ন গল্পও হতে পারত। শেষ পর্যন্ত শেষ বলে হাসান নেওয়াজ ২ রান নিয়ে চট্টগ্রামের জয় নিশ্চিত করেন।

রাজশাহীর হয়ে বল হাতে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন বিনুরা ফার্নান্দো, মেহরব পান ২টি উইকেট। তবে নাটকীয় এই দিনে শেষ হাসিটা ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালসেরই।

এমআই