Advertisement
Us Bangla Airlines
রংপুরের চতুর্থ হারের দিনে সিলেটের পঞ্চম জয়

রংপুরের চতুর্থ হারের দিনে সিলেটের পঞ্চম জয়

খেলা ডেস্ক

১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৪১

বিপিএলের শুরুতে যে রংপুর রাইডার্স ছিল দুর্দান্ত ছন্দে, সেই দলটাই এখন পথ হারানো পথিক। প্রথম পাঁচ ম্যাচে চার জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগোলেও হঠাৎ করেই থমকে গেছে নুরুল হাসান সোহানের শিষ্যরা। সিলেট পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সোহানদের ৬ উইকেটে হারাল মিরাজ-ইমনরা। তাতে রংপুরের চতুর্থ হারের দিনে পঞ্চম জয়ের দেখা পেল সিলেট।

সোমবার সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শেষদিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে রংপুর-সিলেট। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমেই ধাক্কা খায় রংপুর। টানা ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে সোহানের দল। ছোট লক্ষ্যের জবাবে ১৫ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় সিলেট।

নিজেদের হোম ভেন্যুতে ১১৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল সিলেটের ব্যাটাররা। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। ওপেনার তৌফিক খান ২২ বলে ৩৩ রান করে ফিরলেও তিনে নামা আরিফুল ইসলাম ২৬ বলে করেন ২১ রান। আফিফ হোসেন থামেন ১২ রানে, ইথান ব্রুকস ফেরেন খাতা না খুলেই।

এরপর মঈন আলীকে সঙ্গী করে জয় নিশ্চিত করেন পারভেজ হোসেন ইমন। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন এই ওপেনার। ৪১ বলে অপরাজিত ৫২ রান করে মাঠ ছাড়েন ইমন। মঈন আলী কোনো বল না খেলেই অপরাজিত থাকেন।

শ্বশুরবাড়ির দলকে জয় এনে দিলেন মঈন আলী

এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমেই ধাক্কা খায় রংপুর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই দুই ওপেনার কাইল মায়ার্স ও তাওহীদ হৃদয় ফিরে যান। নাসুম আহমেদের বলে ডাক মারেন মায়ার্স, আর ৪ রান করে শহীদুল ইসলামের শিকার হন হৃদয়। চারটি চার মেরে ঝলক দেখিয়েছিলেন লিটন দাস, কিন্তু সেটাও ক্ষণস্থায়ী।

শহীদুলের পরের ওভারেই বিদায় নেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। মাত্র ১২ বলে ২২ রান করে ফিরেন লিটন। পাওয়ার প্লে শেষে ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রংপুর। মাঝের ওভারগুলোতেও গতি পায়নি রান। ইফতিখার আহমেদ ১৭ রান করে ফিরলে শুরু হয় প্রকৃত ধস। একশ রান ছোঁয়াই হয়ে পড়ে অনিশ্চিত।

৩০ বল হাতে রেখেই জয় পেল রংপুর

১৬তম ওভারে নাসুম আহমেদের টানা দুই বলে আরও দুটি উইকেট হারায় রংপুর। একসময় ৯৬ রানেই পড়ে যায় ৯ উইকেট। শেষ পর্যন্ত মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে কোনোমতে তিন অঙ্ক ছোঁয়া সম্ভব হয়। তবে শেষ ওভারের প্রথম বলেই সালমান ইর্শাদের বলে থামেন রিয়াদও। ২৩ বলে করেন ২৯ রান, চারটি চারে সাজানো ছিল তার ইনিংস।

১৮ রানের সেই জুটি ভাঙতেই শেষ হয় রংপুরের ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন খুশদিল শাহ। বল হাতে সিলেটের হয়ে ছিলেন দুর্দান্ত মঈন আলী। চার ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। নাসুম আহমেদ ও শহীদুল ইসলাম নেন তিনটি করে উইকেট।

এমআই