ঢাকাকে হারিয়ে কোয়ালিফাই নিশ্চিত করলো রাজশাহী
খেলা ডেস্ক
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৩৭
ঢাকার বিপক্ষে ছিল ‘করো বা মরো’ নয়, একেবারেই একপেশে প্রদর্শনী। সিলেট পর্বের শেষ ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে কোয়ালিফায়ারের টিকিট পকেটে পুরে নিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপুটে জয়ে নাজমুল হোসেন শান্তদের সঙ্গে শেষ চারে জায়গা করে নিল চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানসও।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকার দেওয়া ১৩২ রানের লক্ষ্য রাজশাহী টপকে যায় ২৩ বল হাতে রেখেই। হাতে ছিল ৭ উইকেটও। এই জয়ের পর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে জায়গা নিয়েছে রাজশাহী। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ১২ পয়েন্ট। সমান ১০ পয়েন্ট নিয়ে দুই ও তিন নম্বরে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও সিলেট টাইটানস।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় রাজশাহী। ১৩ বলে ২২ রান করে ফেরেন মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র। পরের উইকেটেই অপ্রত্যাশিতভাবে ৫ রানে থামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে অন্যপ্রান্তে তখন একাই ম্যাচের লাগাম হাতে নিয়েছিলেন তানজিদ হাসান তামিম।
চার-ছয়ের ঝড়ে ঢাকার বোলারদের নাভিশ্বাস তুলে ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন তিনি। ৪৩ বলে ৭৬ রানের অনবদ্য ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৫টি ছয়। তানজিদ বিদায় নেওয়ার পর জিমি নিশামকে সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সারেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিক ১২ ও নিশাম ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু পেয়েছিল ঢাকা। উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৫৪ রান। উসমান ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২৭ বলে ৪১ রান করে ফিরলেও, সেটিই ছিল ঢাকার সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়।
এরপর একে একে ব্যর্থ হন ঢাকার ব্যাটাররা। উসমানের পর সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন নাসির হোসেন। সাব্বির রহমান ১৪, অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ১৩, আব্দুল্লাহ আল মামুন ১২ ও ইমাদ ওয়াসিম ১১ রান যোগ করেন। বাকিদের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
বল হাতে রাজশাহীর হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে তুলে নেন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। রিপন মণ্ডল হ্যাটট্রিকসহ নেন ৩ উইকেট (৩০ রানে)। অভিষিক্ত মোহাম্মদ রুবেল নেন ২টি এবং বিনুরা ফার্নান্দো শিকার করেন ১টি উইকেট।
এমআই