দশম বোলার হিসেবে ১১তম হ্যাটট্রিক করলেন রাজশাহীর পেসার
খেলা ডেস্ক
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২২:৪৪
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নতুন বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন রিপন মণ্ডল। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সে খেলা এই পেসার বিপিএলের দশম বোলার হিসেবে ১১তম হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেয়েছেন। তাতে চলমান বিপিএলে তিনটি হ্যাটট্রিকের সাক্ষী হয়েছে ক্রিকেট ভক্তরা। বিপিএলের কোনো আসরে এর চেয়ে বেশি হ্যাটট্রিক দেখা যায়নি।
ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে বেশ খরুচে ছিলেন রাজশাহীর রিপন মণ্ডল। প্রথম তিন ওভারে ২৮ রান খরচ করেছিলেন এই পেসার। তবুও ইনিংসের শেষ ওভার করতে তার হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রথম তিন বলে তিন রান খরচ করলেও শেষ তিন বলে নিয়েছেন তিনটি উইকেট। তাতেই মিলেছে হ্যাটট্রিকের দেখা।
রিপন মণ্ডলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের শিকার হয়েছেন সাব্বির রহমান, জিয়াউর রহমান ও তাইজুল ইসলাম। বিপিএলে এটা রিপন মণ্ডলের প্রথম হ্যাটট্রিক। বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয়বার হ্যাটট্রিক করেছিলেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। গত শুক্রবার নোয়াখালীর বিপক্ষে ইনিংসের শেষ ওভারে হ্যাটট্রিক করেন রংপুরের এই বাঁহাতি পেসার।
বিপিএলের ১২ আসরের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১০ জন বোলার হ্যাটট্রিক করলেও, একই ক্রিকেটারের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকের নজির একমাত্র মৃত্যুঞ্জয়েরই। এর আগে চলমান দ্বাদশ আসরের চতুর্থ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন মেহেদি হাসান রানা। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের তরুণ এই পেসার সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে বিপিএলের নবম হ্যাটট্রিক করেন।
মৃত্যুঞ্জয়ের প্রথম হ্যাটট্রিকটা এসেছিল ২০২২ সালের বিপিএলে। অভিষেক ম্যাচেই চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জার্সিতে সিলেট সানরাইজার্সের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে আলোড়ন তুলেছিলেন এই পেসার। চার বছর পর পুনরায় রংপুর রাইডার্সের হয়ে হ্যাটট্রিক করলেন তিনি।
এখন পর্যন্ত বিপিএলে হ্যাটট্রিক করেছেন ৯ জন বোলার। এর মধ্যে ৫ জন বাংলাদেশি ও ৪ জন বিদেশি। শুরুটা হয়েছিল ২০১২ সালে, অভিষেক আসরেই। ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ সামি।
এছাড়া ২০১৫ সালে আল-আমিন হোসেন, ২০১৯ সালে তিনটি হ্যাটট্রিক (আলিস আল ইসলাম, ওয়াহাব রিয়াজ ও আন্দ্রে রাসেল), ২০২২ সালে মৃত্যুঞ্জয়, ২০২৪ সালে শরিফুল ইসলাম ও মঈন আলি এবং চলমান ২০২৬ আসরে মেহেদি হাসান রানা, মৃত্যুঞ্জয় ও রিপন হ্যাটট্রিকের স্বাদ পেয়েছেন।
এমআই