শেখ মেহেদীর ক্যামিওতে ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালস
খেলা ডেস্ক
২০ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:৪৩
শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৯ রান। অবিশ্বাস্যভাবে বিপিএলে দিনের উভয় ম্যাচে এমন চিত্র দেখা মিলেছে। দুই ম্যাচেই জয় পেয়েছে ব্যাটিং দল। শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সিলেটকে জিতিয়েছেন ক্রিস ওকস। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মেরে চট্টগ্রামকে ফাইনালে তুলেছেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী। তাতে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে ওঠল চট্টগ্রাম।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৩৩ রানে থামে শান্ত-মুশফিকদের ইনিংস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে চাপের মুখে পড়ে চট্টগ্রামও। তবে অধিনায়ক শেখ মেহেদীর ৯ বলে ১৯ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত বন্দর নগরীর দলটি।

রান তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মন্থর গতিতে ব্যাট করতে থাকলেও উদ্বোধনী জুটি বড় রানের দেখা পায়। ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। পরের উইকেটে নামা হাসান নেওয়াজ ১৪ বলে ২০ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ৮ বলে ১১ রান যোগ করে আউট হয়েছেন চারে নামা আসিফ আলি।
দীর্ঘ সময় ব্যাট করা ওপেনার মির্জা বেগ ৪৭ বলে ৪৫ রান করে দলের ভিত্তি মজবুত করেন। শেষ দিকে জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল। মেহেদী ৯ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন, আর জামাল ২ বলে ২ রানে অপরাজিত থাকেন।
আগে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান চট্টগ্রামের অধিনায়ক মেহেদী। রাজশাহীর দুই ওপেনারের জুটি এদিনও বড় হয়নি; উদ্বোধনী জুটি থামে ৩০ রানে। ডানহাতি শাহিবজাদা ১৯ বলে ২১, আর তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে দলের সংগ্রহ বাড়ান।

পরবর্তী পাঁচ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। দলনেতা নাজমুল হোসেন শান্ত ৮, মুশফিকুর রহিম শূন্য, আকবর আলী ৩, জিমি নিশাম ৬ ও রায়ান বার্ল ৩ রান করে আউট হন। তবে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে করেন ৩৫ রান।
চট্টগ্রামের বোলিংয়ে দুটি করে উইকেট নেন অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল। পাশাপাশি একটি করে উইকেট নিয়েছেন দলের বাকি পাঁচ বোলার।
এমআই