২৩ বল হাতে রেখেই জয় পেল লিটনরা
খেলা ডেস্ক
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৪২
অদম্য শুরু, দাপুটে শেষ। বিসিবির আয়োজিত অদম্য টি–টোয়েন্টি কাপের প্রথম ম্যাচেই শক্তির জানান দিল লিটন দাসের ধূমকেতু। দুরন্তকে ৬ উইকেটে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে লিটনের দল, তাও আবার ২৩ বল হাতে রেখে। এতে সহজ জয়ের পাশাপাশি ফাইনাল খেলার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল ধূমেকেতু একাদশ।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) টসে হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে আকবর আলীর দুরন্ত একাদশ। জিসান-রবিনের জুটিতে বড় সংগ্রহের আশা জাগালেও স্পিন বিষে কাটা পড়ে মিডল অর্ডার ব্যাটার। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় আকবর আলীরা। জবাবে ৩.৫ ওভার বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে ধূমকেতু।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই আগ্রাসী ছিলেন তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৩৪ রান। তানজিদ আট বলে ১৭ রান করে ফিরলেও এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন সাইফ ও অধিনায়ক লিটন দাস। দ্বিতীয় উইকেটে এই জুটি গড়ে তোলে ম্যাচ-নির্ধারক ৭৮ রানের পার্টনারশিপ।
সাইফ হাসান খেলেন দায়িত্বশীল ও সাবলীল ইনিংস, ৩০ বলে হাফ-সেঞ্চুরি (৫০) করে ফিরেন তিনি। এরপর লিটনের সঙ্গে যোগ দেন পারভেজ হোসেন ইমন। দলকে জয়ের একেবারে কাছে নিয়ে যান দুজনে। মাঝে তিন বলের বিরতিতে ইমন, হৃদয় ফিরলেও ম্যাচ শেষ করেন লিটন দাস। ৪৩ বলে অপরাজিত ৬৫ রান করেন ধূমকেতুর অধিনায়ক।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মাহফিজুল রবিন ও জিসান আলম ওপেনিং জুটিতে যোগ করেন ৩১ রান। তবে তানজিম হাসান সাকিব জিসানকে ফিরিয়ে দিলে ভাঙে জুটি। এরপর আজিজুল হাকিমকে সঙ্গে নিয়ে রবিন গড়েন আরও ৩৬ রানের জুটি, যদিও ৩৭ বল খেলে সেই জুটিতে গতি ছিল কম।
৩৬ বলে ৩৯ রান করা রবিন ফিরতেই চাপ বাড়তে থাকে দুরন্তের ওপর। পরপর উইকেট হারিয়ে ১১৭ রানে ৭ উইকেটে পড়ে যায় দলটি। অধিনায়ক আকবর আলী (১০ বলে ১৮) ও এসএম মেহরব (১৫ বলে ১৫) কিছুটা গতি আনলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
শেষ দিকে জাওয়াদ আবরার ও আব্দুল গফফার সাকলাইন অষ্টম উইকেটে ১৯ বলে ২৪ রানের জুটি গড়ে দলকে ১৪৩ পর্যন্ত টেনে নেন। এই ম্যাচেই ইতিহাস গড়েছেন জাওয়াদ আবরার—দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড়’ হিসেবে নাম লেখান তিনি। আট বলে ১০ রান করেন আবরার, সাকলাইন করেন ১৫ বলে ১৫।
বোলিংয়ে ধূমকেতুর হয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন রিশাদ হোসেন। চার ওভারে ২১ রান দিয়ে তিন উইকেট। তানজিম হাসান সাকিব ও শরিফুল ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।
এমআই