Advertisement
Us Bangla Airlines
শেষ ৯ বলে ৩৩ রান করে জিতল সোহানদের দুর্বার

শেষ ৯ বলে ৩৩ রান করে জিতল সোহানদের দুর্বার

খেলা ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৪৪

জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে দরকার ৩৩ রান। ঠিক তখনই ম্যাচের লাগাম হাতে নিলেন নুরুল হাসান সোহান। শরিফুলের এক ওভারে ২৬ রান তুলে নিয়ে পুরো ম্যাচের চিত্রটাই বদলে দিলেন তিনি। শেষ ওভারে দাঁড়াল ৭ রানের লক্ষ্য। যদিও মুগ্ধর দ্বিতীয় বলেই রান আউট হয়ে ফিরতে হয় সোহানকে, তাতে সমীকরণ দাঁড়ায় চার বলে চার রান।

সমীকরণের গল্পকে আর বাড়াতে চাইলেন না দশ নম্বরে ব্যাট করতে নামা হাসান মাহমুদ। মুগ্ধর তৃতীয় বলে পয়েন্টের মাথার ওপর দিয়ে হাঁকান দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারি। তাতে তিন বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দুর্বার একাদশ। প্রথম ম্যাচে জয় তুলে ফাইনালের সমীকরণ জমিয়ে তুলেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

শুক্রবার টসে হেরে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে ধূমকেতু একাদশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে লিটনদের দল। জবাবে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকা দুর্বারের হাত থেকে ম্যাচটা ছিটকেই গিয়েছিল প্রায়। তবে সোহানের ৭৬ রানের ইনিংসে ৩ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে দুর্বার।

ধূমকেতুর ইনিংসের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম গোল্ডেন ডাক খেয়ে ফিরে যান। আরেক ওপেনার সাইফ হাসান ২০ বলে ২৮ রান করে আউট হন। পারভেজ হোসেন ইমন করেন ১৩, তাওহীদ হৃদয় ৭ রান। দলের হয়ে সবচেয়ে দৃঢ় ইনিংসটি খেলেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস, ৪৩ রান।

এছাড়া শেখ মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। শেষদিকে শামীম ১৭, রিশাদ ০, নাসুম ৯ ও শরিফুল ১ রান যোগ করেন। লিটনদের রানের টুঁটি চেপে ধরেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তানভীর ইসলাম।

২৩ বল হাতে রেখেই জয় পেল লিটনরা

জবাবে রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই আগ্রাসনের ছাপ রাখেন দুর্বারের ওপেনার হাবিবুর রহমান সোহান। শরিফুলের করা প্রথম ওভারেই তোলেন ১৪ রান। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগেই ধাক্কা খায় দল। ২ রানে শান্ত, ১৭ রানে হাবিবুর রহমান ও ১ রানে আফিফ ফিরলে চাপ বাড়ে দুর্বারের ওপর।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়লেও একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান নুরুল হাসান সোহান। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাট থেকেই আসে জয়ের রসদ। ৭৬ রানে থামলেও ওই ইনিংসই দুর্বার একাদশকে এনে দেয় নাটকীয় জয়। অন্যদের মধ্যে জাকের আলী করেন ১১, মিরাজ ১, সাইফউদ্দিন ১৯, খালেদ ০ ও হাসান মাহমুদ অপরাজিত থাকেন ৪ রানে।

এমআই