দুই ম্যাচ খেলেই বাদ পড়ার শঙ্কায় আফগানিস্তান!
খেলা ডেস্ক
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:৪২
স্বপ্ন দেখেছিল আরও একবার। ২০২৪ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের রূপকথা লিখে ২০২৬ আসরে নেমেছিল বড় প্রত্যাশা নিয়ে। কিন্তু এবার যেন শুরুতেই দুঃস্বপ্ন। দুই ম্যাচ খেলেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের শঙ্কায় আফগানিস্তান। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে এখন বিদায়ের প্রহর গুনছে রশিদ খানের দল।
ভারত-শ্রীলঙ্কায় চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে পড়েছে আফগানিস্তান। গ্রুপে আছে সাবেক দুই ফাইনালিস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। সঙ্গে তুলনামূলক দুর্বল সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডা। কাগজে-কলমে হিসাব বলছিল, বড় দুই দলের একটিকে হারাতে পারলেই পথ খুলবে। বাস্তবে হলো উল্টোটা।

৮ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হেরে শুরু। এরপর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াই গড়ায় রোমাঞ্চকর ডাবল সুপার ওভারে। শেষ পর্যন্ত সেখানেও হার। দুই ম্যাচে দুই পরাজয়ে আফগানিস্তানের অবস্থান এখন গ্রুপের তিনে, পয়েন্ট শূন্য। নেট রানরেট -০.৫৫৫।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা—দু’দলেরই পয়েন্ট ৪। নেট রানরেটে এগিয়ে (+১.৯১৯) কিউইরা শীর্ষে, প্রোটিয়ারা (+১.৪২৫) দুইয়ে। তাতে রান রেটে পিছিয়ে পড়া আফগানদের ভাগ্য সহায় না হলে এখান থেকেই বিদায় নিচ্ছে তারা।

অবশ্য এখনও বাকি আছে আফগানিস্তানের দুটি ম্যাচ। ১৬ ফেব্রুয়ারি আমিরাতের বিপক্ষে, ১৯ ফেব্রুয়ারি কানাডার সঙ্গে। দুটি ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৪। কিন্তু তাতেও সুপার এইট নিশ্চিত নয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে যে জিতবে, সে পৌঁছে যাবে ৬ পয়েন্টে। বাকি প্রতিপক্ষরাও সহযোগী দল।
ফলে সমীকরণে টিকে থাকতে আফগানিস্তানকে জিততেই হবে নিজেদের দুই ম্যাচ। পাশাপাশি চাই দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে আমিরাতের জয় এবং নিউজিল্যান্ডের কানাডার কাছে হার। যদিও ভারতের মাঠগুলো নবি-রশিদদের অচেনা নয়। তবে ক্যাচ মিস, মিসফিল্ডিং আর ব্যাটিং ধসে দুই হার নিয়ে বিদায়ের শঙ্কায় এশিয়ার দলটি।
এমআই