অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ পর্ব জমিয়ে তুললো জিম্বাবুয়ে
খেলা ডেস্ক
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:৩৩
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের খুব কাছে গিয়েও থামতে হয়েছে নেপালকে। তিনবার সুপার ওভারে গড়িয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাতে পারেনি আফগানিস্তান। কিন্তু যেখানে অন্যরা হোঁচট খেয়েছে, সেখানে ঠিকই বাজিমাত করলো জিম্বাবুয়ে। অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে প্রথম বড় অঘটনের জন্ম দিল সিকান্দার রাজার দল।
এই জয়ে ‘বি’ গ্রুপে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছে জিম্বাবুয়ে। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। ২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। আয়ারল্যান্ড ও ওমান রয়েছে যথাক্রমে চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে। তাতে গ্রুপ পর্ব থেকে সেরা আটে যাওয়ার লড়াই এখন তুমুল জমজমাট।
কলম্বোয় টস জিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ট্রাভিস হেড জিম্বাবুয়েকে ব্যাট করতে পাঠান। সিদ্ধান্তটা শেষ পর্যন্ত তার দলের বিপক্ষেই গেছে। ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৬৯ রানের শক্ত ভিত গড়ে জিম্বাবুয়ে।
শুরুটা ছিল আত্মবিশ্বাসী। ওপেনিং জুটিতে আসে ৬১ রান। মাত্র ২১ বলে ৩৫ রান করে আউট হন তাদিয়ানসে মারুমানি। এরপর রায়ান বার্লকে নিয়ে ইনিংস বড় করেন ব্রায়ান বেনেট। দ্বিতীয় উইকেটে যোগ হয় ৭০ রান। ৩০ রান করে ফেরেন বার্ল। তবে থামেননি বেনেট। ৫৬ বলে সাতটি চারে সাজানো ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
শেষদিকে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একটি করে উইকেট নেন মার্কাস স্টয়নিস ও ক্যামেরন গ্রিন।
১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেন ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্স। চাপে পড়ে যাওয়া দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশো। তাদের ৭৭ রানের জুটিতে অজিদের আশা আবার জেগে উঠেছিল।
কিন্তু ম্যাক্সওয়েল ৩১ রান করে ফিরতেই ভেঙে পড়ে সেই স্বপ্ন। একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালান রেনশো। ব্যক্তিগত অর্ধশতক ছুঁয়ে দলের সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন তিনি। অধিনায়ক ট্রাভিস হেডের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি; তিনজন তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বল হাতে জিম্বাবুয়ের নায়ক ব্লেসিং মুজারাবানি—চার উইকেট। তিনটি উইকেট ব্র্যাড ইভান্সের। বাকি দুটি উইকেট নেন অন্য দুই বোলার।
এমআই