১২ বলে ৫৯ রান খরচ করে ম্যাচ হারালেন উমরান মালিক
খেলা ডেস্ক
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:১৩
গতির প্রতিশব্দ হিসেবে ভারতের বড় নাম ছিলেন উমরান মালিক। ঘণ্টায় দেড়শ কিলোমিটার ছুঁইছুঁই বোলিংয়ে আইপিএলে ঝড় তুলে জায়গা করে নিয়েছিলেন ভারতের জাতীয় দলে। কিন্তু সময়ের স্রোতে সেই আলো ম্লান। এবার তিনি আলোচনায় এলেন উল্টো কারণে। খরুচে বোলিংয়ে দলকে হারানোর কারণ হয়েছেন তিনি।
ডিওয়াই পাতিল টি-টুয়েন্টি কাপে এক ম্যাচে মাত্র ১২ বলে ৫৯ রান খরচ করেছেন উমরান মালিক। যার একটি ওভারেই গেছে ৩৬ রান। শেষ পর্যন্ত সেই স্পেলই ডুবিয়েছে তাঁর দলকে। তাতেই আলোচনায় এসেছেন এই গতিদানব।
ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে টাটা স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলতে নেমেছিলেন উমরান। প্রতিপক্ষ মুম্বাই কাস্টমস। আগে ব্যাট করে ১৯৩ রান তোলে তাঁর দল। কিন্তু ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ঋগ্বেদ মোরে উমরানের বলে তিনটি ছক্কা ও একটি চার হাঁকিয়ে তোলেন ২৩ রান। শুরুতেই এমন খরুচে বোলিংয়ে অধিনায়ক শার্দূল ঠাকুর পরের ওভারে আর বল দেননি তাঁকে।
১৩তম ওভারে আবার আক্রমণে ফেরেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তখন দুই ওপেনার মোরে ও শচীন যাদব মিলে গড়ে ফেলেছেন ১২৮ রানের জুটি। জয়ের জন্য দরকার ৮ ওভারে ৬৫ রান। কিন্তু সেই ওভারেই সব ওলটপালট। প্রথম বলে ১ রান। পরের বলে চার, তৃতীয় বলে ছক্কা—যদিও সেটি ‘নো বল’।
ফ্রি হিটে রান না দিলেও পরের দুই বলে আবার ছক্কা ও চার। একটি ওয়াইড, আরেকটি নো বল। ফ্রি হিটে চার, সেটিও নো বল ঘোষিত। আরেক ফ্রি হিটে ছক্কা। ওভার শেষে যোগ হয় ৩৬ রান। দুই ওভারে তাঁর বোলিং পরিসংখ্যান—২-০-৫৯-০। ম্যাচ সেখানেই কার্যত হাতছাড়া। ৪২ বলে ২৯ রান দরকার ছিল মুম্বাই কাস্টমসের, যা তারা তুলে নেয় আরও ১৮ বল হাতে রেখেই।
ভারতের হয়ে ১০টি ওয়ানডে ও ৮টি টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন উমরান। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০২৩ সালে। গত আসরের আগে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাঁকে দলে রাখে। এরপর সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে জম্মু কাশ্মীরের হয়ে ৫ ম্যাচে ৬ উইকেট নিলেও ইকোনমি ছিল প্রায় ১০।
এমআই