জাতীয় দলের নির্বাচক পদে আবেদন করলেন যারা
খেলা ডেস্ক
০৩ মার্চ ২০২৬, ১৭:২০
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক প্যানেলে পরিবর্তনের আভাস আগে থেকেই মিলেছিল। গেল কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, আগ্রহীদের ৮ মার্চের মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। সময়সীমা ঘনিয়ে আসতেই শুরু হয়েছে নীরব দৌড়।
মঙ্গলবার পর্যন্ত একাধিক প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। তালিকায় রয়েছেন বয়সভিত্তিক দলের কয়েকজন নির্বাচকও। তবে আলোচনায় এগিয়ে থেকেও আবেদন করবেন না বলে জানিয়েছেন সাজ্জাদ আহমেদ শিপন। ফলে প্রতিযোগিতা আরও উন্মুক্ত হয়ে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নতুন মুখের উপস্থিতিও কম নয়। সাবেক ওপেনার শামসুর রহমান শুভর নাম শোনা যাচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায়। পাশাপাশি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটারও আগ্রহ দেখিয়েছেন। তবে মাহমুদউল্লাহকে নিয়ে আলোচনা শোনা যায়নি।
নির্বাচক হতে হলে প্রথম শ্রেণি ও একদিনের স্বীকৃত প্রতিযোগিতা মিলিয়ে অন্তত একশ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি খেলোয়াড় মূল্যায়নের দক্ষতা, বিচক্ষণতা ও সুদৃঢ় যোগাযোগক্ষমতাও বিবেচনায় রাখা হবে। নির্বাচকদের মেয়াদ দুই বছর। তাঁদের দায়িত্ব হবে জাতীয় দল ও ‘এ’ দল গঠন, পাশাপাশি সম্ভাবনাময় ক্রিকেটারদের ওপর নিবিড় নজর রাখা।
বোর্ডের এক বর্তমান নির্বাচক জানিয়েছেন, নতুন নীতিমালা ইতিবাচক পদক্ষেপ। বিশেষ করে নতুন যারা দায়িত্বে আসবেন, তাঁদের জন্য এটি স্পষ্ট কাঠামো তৈরি করবে। এদিকে প্রধান নির্বাচকের পদ নিয়েও চলছে আলোচনা। হাবিবুল বাশার সুমন এখনো আবেদন করেননি, তবে শিগগিরই করবেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের জন্য প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিয়েছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ফেব্রুয়ারিতেই। আর গত অক্টোবরে বোর্ড নির্বাচনে অংশ নিতে গিয়ে নির্বাচকের পদ ছাড়েন আব্দুর রাজ্জাক।
লিপু ও রাজ্জাকের শূন্যস্থান পূরণেই এবার দুজন নতুন নির্বাচক নিয়োগ দিতে চায় বোর্ড। তাঁদের মধ্য থেকেই একজন হবেন প্রধান নির্বাচক। এখন প্রশ্ন, কার হাতে উঠবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বাছাইয়ের গুরুদায়িত্ব? উত্তরটা হয়তো কাছাকাছি সময়েই জানিয়ে দেবে বিসিবি।
এমআই