টনি হেমিংকে কেন ‘ডাক্তার’ বললেন পাইলট
খেলা ডেস্ক
২৮ মার্চ ২০২৬, ১৬:০৫
মিরপুরের উইকেট নিয়ে একসময় ছিল বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা। টস জিতলেই ম্যাচ জয়ের সমীকরণ এমন অভিযোগও কম শোনা যায়নি। তবে সময় বদলেছে। এখন সেই মিরপুরেই দেখা যাচ্ছে ব্যাট-বলের লড়াই, হচ্ছে রান, জমছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আর এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা যাঁর, তাকে ‘ডাক্তার’ বলেই সম্মান জানালেন খালেদ মাসুদ পাইলট।
সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের উইকেট ছিল স্পোর্টিং। যেখানে ব্যাটার-বোলার দু’পক্ষই নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ পেয়েছেন। এমন উইকেটই ভবিষ্যতেও ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মাঠ ও উইকেট প্রস্তুতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কিউরেটর টনি হেমিংয়ের প্রশংসায় পাইলট ছিলেন অকুণ্ঠ। তিনি বলেন, ‘টনি হেমিং খুব ভালো কিউরেটর। আমার যতটুক দেখা সে একজন ডাক্তার বলতে পারেন। রোগী যেমন ডাক্তার দেখাশোনা করে সে মাঠের ডাক্তার পিচের ডাক্তার। তাকে বলা হয়েছিল, আমরা কোনো ধরনের হোম এডভান্টেজ নেব না।’
পাইলটের ভাষায়, ‘আগে মিরপুরের উইকেটে টসই অনেক সময় ম্যাচের ভাগ্য ঠিক করে দিত। কিন্তু এখন আমরা সেই জায়গা থেকে বের হয়ে আসতে চাই। নিউজিল্যান্ড সিরিজেও পাকিস্তান সিরিজের মতো স্পোর্টিং উইকেট থাকবে।’
শুধু তা-ই নয়, স্বল্পমেয়াদি সাফল্যের জন্য ‘শর্টকাট’ পথেও হাঁটতে রাজি নয় বোর্ড। পাইলট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এমন উইকেট তৈরি করে হয়তো দ্রুত জয় পাওয়া সম্ভব, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা দলের জন্য ক্ষতিকর। তাই লক্ষ্য একটাই, ধারাবাহিকভাবে ভালো ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ উইকেটে খেলা।
এমআই