১৬ লাখ টাকার স্পিন বোলিং মেশিন দিয়ে কী কী করা যাবে
খেলা ডেস্ক
০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৮
ক্রিকেট অনুশীলনে নতুন দিগন্তের সূচনা করল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। দীর্ঘদিন ধরে পেস বোলিং মেশিন ব্যবহারের পর এবার স্পিন বোলিং অনুশীলনেও প্রযুক্তির ছোঁয়া। ১৬ লাখ টাকার অত্যাধুনিক স্পিন বোলিং মেশিন যোগ হয়েছে তাদের ভাণ্ডারে।
জাতীয় দলের স্কিল ক্যাম্পেই প্রথমবার দেখা মিলেছে এই মেশিনের। এতদিন দ্রুতগতির বল কিংবা বাউন্সার সামলাতে ব্যাটাররা মেশিনে অনুশীলন করলেও, স্পিন মোকাবিলায় এমন সুযোগ ছিল না। সেই ঘাটতি পূরণেই এই নতুন সংযোজন।
ক্রিকেটের পরাশক্তি ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া কিংবা নিউজিল্যান্ডে স্পিন বোলিং মেশিনের ব্যবহার আগে থেকেই প্রচলিত। পেসবান্ধব উইকেটে বেড়ে ওঠা ব্যাটারদের স্পিনে দক্ষ করে তুলতেই তারা এই প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে। আর উপমহাদেশের স্পিন-সহায়ক উইকেটে নিজেদের আরও শাণিত করতেই এবার সেই পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস জানিয়েছেন, প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড দামের এই মেশিনটি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ ২০ হাজার টাকার। তবে ভ্যাট-ট্যাক্সসহ চূড়ান্ত খরচ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।
কী করতে পারে এই মেশিন?
বিসিবির পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ নাফীসের ভাষায়, এটি শুধু সাধারণ স্পিন নয় বরং অফ স্পিন, লেগ স্পিন, এমনকি ‘চায়নাম্যান’ পর্যন্ত অনুশীলন করাতে সক্ষম। ডানহাতি-বাঁহাতিসহ সব ধরনের স্পিনের বৈচিত্র্যই এতে ধরা সম্ভব। পাশাপাশি সোজা আর্ম বলও খেলার সুযোগ রয়েছে, যা ব্যাটারদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
এখানেই শেষ নয়, মেশিনটির অন্যতম বড় সুবিধা হলো লেংথ ও গতি নিয়ন্ত্রণ। অর্থাৎ, ধীরগতির টার্নিং ডেলিভারি থেকে শুরু করে তুলনামূলক দ্রুত স্পিন সবই অনুশীলন করা যাবে। ফলে বাস্তব ম্যাচের মতো ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতির প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হবে।
অপারেশনেও রয়েছে নমনীয়তা। চাইলে কোচের সহায়তায় ম্যানুয়ালি চালানো যাবে, আবার টাইমার সেট করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবেও ব্যবহার করা সম্ভব। অটোমেটিকলি এক সেটে ২৫ থেকে ৩০টি বল ডেলিভারি দেওয়ার সক্ষমতা থাকায় একটানা অনুশীলনেও মিলবে ধারাবাহিকতা।
এমআই