Advertisement
Us Bangla Airlines
শেষ আট ওভারে ১০৬ রান করে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

শেষ আট ওভারে ১০৬ রান করে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৫০

১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ছিল ধীরগতির, অস্বস্তিতে ভরা। দুই ওপেনারের মন্থর ব্যাটিং আর অধিনায়ক লিটন কুমার দাসের ব্যর্থতায় শুরুতেই ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। অর্ধেক ইনিংস শেষে গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে হতাশা, সমর্থকদের চোখে তখন জয়ের আশা প্রায় ম্লান।

কিন্তু ক্রিকেটে গল্প বদলায় মুহূর্তেই। শেষ দিকে দুইটি কার্যকর জুটি বদলে দেয় পুরো ম্যাচের চিত্র। শেষ আট ওভারে ১০৬ রান তুলে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিক বাংলাদেশ।

শেষ আট ওভারে ১০৬ রান করে নিউজিল্যান্ডকে হারাল বাংলাদেশ

এই জয়ের মাধ্যমে ফিল সিমন্সের শিষ্যরা গড়েছে নতুন এক রেকর্ডও। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়। এর আগে কিউইদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া ছিল ১৩৫। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২০১৮ সালে ২১৫ রান করেছিল টাইগাররা।

রান তাড়ায় শুরুটা একেবারেই স্বস্তির ছিল না। সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে উদ্বোধনী জুটিতে ৪১ রান যোগ করলেও তা এসেছে ৫.৩ ওভারে। সাইফ ১৬ বলে ১৭ রানে ফেরেন নাথান স্মিথের শিকার হয়ে, তামিম ২৫ বলে ২০ রান করেন। এরপর লিটন দাস ১৫ বলে ২১ রান করে ইনিংস বড় করতে পারেননি।

১০.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৭ রানে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ তখনও পিছিয়ে। ঠিক সেখান থেকেই শুরু হয় ম্যাচের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত। একদিকে চাপ, অন্যদিকে দরকার দ্রুত রান। এই পরিস্থিতিতে চতুর্থ উইকেটে গড়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ জুটি, যা ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনে বাংলাদেশের হাতে।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুতেই টিম রবিনসনের রান আউটে ধাক্কা খায়। তবে কেতেন ক্লার্ক ও ড্যান ক্লেভারের ৮৮ রানের জুটি ম্যাচে তাদের ফিরিয়ে আনে। দুজনই ৫১ রানে থামেন। ক্লার্ক ৩৭ বলে এবং ক্লেভার ২৮ বলে সমান আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন।

পরে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে কিউইরা। প্রথম ১০ ওভারে ১০০ রান তোলা দলটি পরের ৫ ওভারে যোগ করতে পারে মাত্র ৩০। অধিনায়ক নিক কেলির ৩৯ রানের ইনিংসও বড় স্কোরের ভিত গড়তে পারেনি। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রিশাদ হোসেন, নেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট পান আরও তিন বোলার।

এমআই