নাহিদের ফাইফারে আড়ালেই রয়ে গেলেন তাসকিন
খেলা ডেস্ক
১২ মে ২০২৬, ২৩:০৪
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক জয়ের বড় অবদান বোলারদের। উইকেটের সংখ্যায় বোলারদের তালিকায় এগিয়ে নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজ। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই দুই বোলার পেয়েছেন ৬ উইকেট। প্রথম ইনিংসে ফাইফার পেয়েছেন মিরাজ, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। তবে এই দুই বোলারের ছায়া হয়ে গেলেন ম্যাচে দারুণ ইমপ্যাক্ট রাখা পেসার তাসকিন আহমেদ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে দারুণ শুরু পেয়েছিল পাকিস্তান। ওপেনার ইমাম-উল-হক ফিফটির আগে ফিরলেও দুই অভিষিক্ত ব্যাটার আজান ও ফজল টাইগার বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েছেন। এমনকি শতরানের জুটি গড়েছিলেন তারা। আজানকে আউট করে এই জুটি ভেঙেছিলেন তাসকিন। এমনকি খানিক পরেই শান মাসুদের উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছেন এই পেসার।
দ্বিতীয় ইনিংসেও তাসকিনের ইমপ্যাক্ট চোখে পড়ার মতো। ম্যাচ জয়ের জন্য আগেভাগেই ইনিংস ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ। সেখানে শুরুতেই ইমাম-উল-হককে আউট করে অধিনায়কের ভরসা জুগিয়েছেন তাসকিন। এমনকি এই ইনিংসেও ফজল-সালমান মিলে ম্যাচটা বের করে নিচ্ছিলেন। আগ্রাসী হয়ে ওঠা সালমানকে আউট করে তাসকিন আহমেদ। এখানেই মূলত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পায় বাংলাদেশ।
শুধু কী বল, ব্যাট হাতে অনবদ্য ছিলেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম ইনিংসে ১৯ বলে ২৮ রান করেছেন এই ব্যাটার। মূলত তাসকিনের ব্যাটে চড়েই ৪০০ রানের সংগ্রহ তুলে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে একই অবস্থানে পেসারদের দলপতি। দলের দ্রুত রান করতে হবে, এমন সময়ে নেমে তাসকিন প্রথম বলেই হাঁকিয়েছেন দেখার মতো ছক্কা। ম্যাচে তাসকিনের সময়োপযোগী ইমপ্যাক্টই বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছে।
শেষ ইনিংসে ফাইফারের দেখা পান নাহিদ রানা। তবে চা বিরতির পর গতিতে দাপট দেখানো শুরুই করেছিলেন তাসকিন। নাহিদের ফাইফারে আড়াল না হোক তাসকিনের অবদান। ম্যাচের গতিপথ বদলাতে বল হাতে নেতৃত্বটা যে তিনিই দিয়েছেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।