হৃদয়ের ব্যাটিং পজিশন নির্দিষ্ট হওয়া উচিত : শান্ত
খেলা ডেস্ক
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:২৪
আফ্রিকায় আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের সরাসরি অংশগ্রহণ এখনো ‘যদি-কিন্তু’ এর ওপর। প্রস্তুতি নেওয়ার সময় খুব সীমিত থাকায় ব্যাটিং অর্ডার বাংলাদেশ দলের জন্য বড় চিন্তার বিষয়। জাতীয় দলের নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্ত চান, তাওহীদ হৃদয়কে ওয়ানডেতে একটি নির্দিষ্ট পজিশনে ব্যাটিং করতে।
অভিষেকের পর থেকে তাওহীদ হৃদয় মিডল অর্ডারে বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন। ৪৪ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তিন, চার, পাঁচ, ছয় এবং সাত নম্বরে ব্যাট করেছেন। তিন নম্বরে তিন ইনিংসে ৪০ রান, চারে ৩৯.৬৬ গড়ে ১৩ ইনিংসে ৪৭৬ রান, পাঁচ নম্বরে ১৮ ম্যাচে ৩১.৭০ গড়ে ৫৩৯ রান করেছেন।
ছয় ও সাত নম্বরে পাঁচটি করে ইনিংস খেলেছেন। ছয় নম্বরে ৬৮ গড়ে ১৩৬ রান, সাতে ২৪.৬৬ গড়ে ৭৪ রান। ধারণা করা হচ্ছিলো, মুশফিকুর রহিমের বিদায়ের পর নিয়মিত চার নম্বরে খেলবেন হৃদয়। কিন্তু মুশফিকের বিদায়ের আগেই চার নম্বরে খেলতেন তিনি। অভিজ্ঞ ব্যাটার এখন অবসর নিলেও চার নম্বরে থিতু হতে পারছেন না হৃদয়।
তরুণ হৃদয়ের ব্যাটিং পজিশন বারবার পাল্টে যাওয়ায় বিরক্ত নতুন নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্ত। ক্রিকবাজকে তিনি বলেন, ‘হৃদয়ের সঙ্গে প্রচুর ব্যাটিং অর্ডার শাফল করা হয়েছে। তার ব্যাটিং পজিশন গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত উইকেট পড়লে এবং বাকি ওভার থাকলে সে রান করতে পারে। যদি নির্দিষ্ট পজিশনে ব্যাট করে, তা তার জন্য ভালো হবে।’
হৃদয় বিভিন্ন সময়ে দ্রুত উইকেট পড়লে বড় রান করেছে। যদিও অফ সাইডে দুর্বলতা রয়েছে, সর্বশেষ বিপিএলে ৩৮২ রানসহ এক সেঞ্চুরি করেছেন। রংপুর রাইডার্সের হয়ে ওপেনিং করেও নতুন বল সামলেছেন। তবে মাঠে বেশি সময় থাকতে পারলে বড় ইনিংস খেলার সামর্থ্য দেখিয়েছেন তিনি।
নির্বাচক শান্ত বলেন, ‘যদি সে দীর্ঘ সময় ব্যাট করে, সব ধরনের শট খেলতে সক্ষম। শুরুতে কিছুটা সময় লাগে, তবে একবার সেট হলে সবদিকে খেলতে পারে। টিম কম্বিনেশনের কারণে মাঝেমধ্যে পাঁচ, ছয় বা সাত নম্বরে খেলতে হয়। তবে ওয়ানডেতে হৃদয়ের ব্যাটিং পজিশন নির্দিষ্ট হওয়া উচিত।’
আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ১১ মার্চ থেকে মাঠে গড়াবে, যা বিশ্বকাপের প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এমনকি সরাসরি ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলতে এই সিরিজে জয়ের বিকল্প নেই। তবে জয়ের কারিগর হিসেবে হৃদয়কে নির্দিষ্ট পজিশনে খেলাতে পারে বাংলাদেশ।
এমআই