শান্তর সেঞ্চুরিতে চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেল বাংলাদেশ
খেলা ডেস্ক
২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:০৪
চট্টগ্রামের মাঠে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই, আর সেই মঞ্চেই ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সময়োপযোগী এক সেঞ্চুরিতে দলকে টেনে তুললেন তিনি, সঙ্গে লিটন কুমার দাসের ঝরঝরে ফিফটি। দুজনের দৃঢ়তায় নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। জয়ের জন্য কিউইদের লক্ষ্য ২৬৬।
টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তবে শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই বিদায় নেন ওপেনার সাইফ হাসান। উইলিয়াম ও’রুরকের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে রানের খাতা না খুলেই ফেরেন তিনি।
দ্রুতই চাপ বাড়ে বাংলাদেশের ওপর। আগের ম্যাচে ফিফটি পাওয়া তানজিদ হাসান তামিমও ব্যর্থ—৫ বলে করেন মাত্র ১ রান। ৯ রানে ২ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা দলকে সামলানোর চেষ্টা করেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। কিন্তু এই জুটিও বড় হয়নি। ২৬ বলে ১৮ রান করে ফিরে যান সৌম্য।
এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। চতুর্থ উইকেটে শান্ত ও লিটন গড়ে তোলেন দুর্দান্ত এক জুটি। শুরুতে ধীরস্থির থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কিউই বোলারদের ওপর চড়াও হন দুজনই। তাদের ব্যাটে জমে ওঠে রান উৎসব। এই জুটিতে আসে মূল্যবান ১৬০ রান, যা বাংলাদেশের ইনিংসের ভিত গড়ে দেয়।
ফিফটি পূর্ণ করে ৭৬ রানে থামেন লিটন। তবে অপর প্রান্তে থামেননি শান্ত। দারুণ নিয়ন্ত্রিত ইনিংসে তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। ১১৯ বলে ১০৫ রানের ইনিংসটি তিনি সাজান ৯টি চার ও ২টি ছয়ে।
শেষ দিকে কিছুটা ধাক্কা খেলেও দলকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখেন তাওহীদ হৃদয়। তিনি অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। মেহেদী হাসান মিরাজ করেন ২২। মোস্তাফিজুর রহমান ৩ রানে অপরাজিত থাকেন। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম খুব একটা অবদান রাখতে পারেননি।
এমআই